বহু আকাঙ্ক্ষিত একটি ট্যুর ছিল। প্রায় ১মাস আগে ডেট ফিক্সড করে প্ল্যান
করে ফেলা হয়েছে সবকিছু ঠিকঠাক। অনেকেই বলছে ওসব ট্রেকিং নাকি মেয়েদের জন্য
না, মেয়েরা পারবেনা।শেষ পর্যন্ত আমরা গিয়েই ছাড়লাম এবং একটি সফল আর
রোমাঞ্চকর ট্যুর দিয়ে ফিরে এসেছি সবাই, সেই অভিজ্ঞতাই এখানে ব্যক্ত করা।
মেইল ট্রেনের দুর্ভোগ এড়াতে আমরা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে যাবার সিদ্ধান্ত
নিলাম। রাত ৯টার ট্রেন ছিল, ১০টার দিকে ট্রেন ছেড়ে ভোর ৬টার দিকে গিয়ে
চট্টগ্রাম শহরে নামলাম সবাই। যেতে হবে সীতাকুণ্ড। প্রথমে ৭নম্বর বাসে করে
গেলাম কুমিরা তারপর সেখান থেকে ৮ নম্বর বাসে করে সীতাকুণ্ড বাজার।যদি কেউ
মেইলে যায় তাহলে ডিরেক্ট সীতাকুণ্ড তেই নামতে পারবেন।
বাজারে নেমেই আগে ঢাকা ফেরার জন্য শ্যামলী বাসের টিকিট করলাম কেননা ট্রেনের টিকিট না পাওয়ার পর এবার আর রিস্ক নিতে চাইনি।
বাজারেই হোটেল বুক করেছিলাম ওখানে গিয়ে হালকা ফ্রেশ হয়ে ব্যাগ রেখেই তৈরি হয়ে বের হয়ে গেলাম। (হোটেলের ব্যাপারে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে পরবর্তী তে শেয়ার করব)
এরপর হালকা নাস্তা করে নিলাম বোতলে করে পানি ভরে নিলাম গ্লুকোজ স্যালাইন নিয়ে নিলাম।প্রথম গন্তব্য চন্দ্রনাথ পাহাড়।
বাজারেই হোটেল বুক করেছিলাম ওখানে গিয়ে হালকা ফ্রেশ হয়ে ব্যাগ রেখেই তৈরি হয়ে বের হয়ে গেলাম। (হোটেলের ব্যাপারে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে পরবর্তী তে শেয়ার করব)
এরপর হালকা নাস্তা করে নিলাম বোতলে করে পানি ভরে নিলাম গ্লুকোজ স্যালাইন নিয়ে নিলাম।প্রথম গন্তব্য চন্দ্রনাথ পাহাড়।
চন্দ্রনাথ
বাজার থেকে ডিরেক্ট সিএনজি আপনাকে চন্দ্রনাথ এর কাছে এনে নামিয়ে
দিবে।পৌঁছে প্রত্যেকে ১টা করে বাঁশ নিয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে নিলাম
হাজার ফুটের অধিক পথ পাড়ি দেয়ার।এতসব করতে প্রায় ১০টা বেজে গিয়েছে
চন্দ্রনাথ অভিযান শুরু করতে। তারপর যতোই উপরের দিকে উঠছি ততো ই মুগ্ধ
হচ্ছিলাম।কিছুক্ষণ পর পর চূড়া টা ক্ষণিকের জন্য দেখা দিচ্ছিলো আর যেন শক্তি
পাচ্ছিলাম যে ওখান টাতেই যেতে হবে।কিন্তু দুই তৃতীয়াংশ উঠার পর প্রায় সবাই
হাঁপিয়ে গিয়েছিল।দু একজন বলেও বসেছে আর যাওয়া লাগবেনা 😪।
আমাদের আশেপাশে আরো গ্রুপ ছিল যারা মাঝপথেই বসে গেছে।কিন্তু চূড়ায় না উঠে
তো ফিরছিনা।শেষ পর্যন্ত দেখা পেলাম সেই অমায়িক রূপলাবণ্যের। চূড়ায় ওঠার পর
কেমন শান্তির অনুভূতি হয়েছিল বোঝানো যাবেনা। পাহাড় আর মেঘ মিলেমিশে
একাকার।সাথে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি হচ্ছিল তখন। সবাই ক্ষণকাল স্তব্ধ হয়েছিলাম।
কিছুক্ষণ থেকে তারপর নেমে গেলাম কারণ আরো স্পট এ যেতে হবে।
এরপর আবার সিএনজি করে বাজারে এসে দুপুরের খাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়লাম ইকোপার্ক এর উদ্দেশ্যে।
এরপর আবার সিএনজি করে বাজারে এসে দুপুরের খাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়লাম ইকোপার্ক এর উদ্দেশ্যে।
ইকোপার্ক (সুপ্তধারা+সহস্রধারা)
জনপ্রতি ২০টাকা টিকিট করে ভেতরে প্রবেশ করলাম।দেখলাম সহস্রধারা ২.৮কি.মি.
আর সুপ্তধারা ১.১ কি.মি. কিন্তু যেখানেই যান সিএনজি ভাড়া আপডাউন ৫০০। অনেক
কষ্টে ৪০০ করে রাজি করালাম।চাইলে হেঁটেও যেতে পারেন পাহাড়ি উঁচু নিচু
রাস্তা ধরে। সুপ্তধারা দেখতে হলে আপনাকে পাড়ি দিতে হবে ২২০০+ ফুট সিঁড়িপথ।
তার মানে উঠার সময় আপনাকে ২টা চন্দ্রনাথ উঠে আসতে হবে। আর সহস্রধারা ৫৯৬
ফুট। আমরা প্রথমে ২য়টায় গেলাম। প্রায়৬০০+৬০০ ফুট উঠানামার যে কষ্ট
সহস্রধারা তার সৌন্দর্য দিয়ে তা ভুলিয়ে দিতে পেরেছিল। সুপ্তধারায় যাবার সময়
হয়নি সিএনজি আসতে দেরি করেছিলো ওদিকে আমাদের স্পট আরো বাকি।
কিন্তু সুপ্তধারা না দেখে কেউ আসবেন না, সময় নিয়ে যাবেন।
গুলিয়াখালি
ওখান থেকে মেইন রাস্তায় এসে ছোট বাসে করে আবার বাজারে এবং বাজার থেকে
সিএনজি করে গুলিয়াখালি। রাস্তা থেকে বীচ অনেকটুকু হাঁটার পথ আর সেই পথ
সাধারণ পথ না হাঁটু সমান কাদাপানির পথ। ট্রলার করে যাওয়া যায় আমরা তাই
ওটাতে উঠে পড়লাম। কিন্তু ট্রলার ছাড়তে অনেক দেরি করছিলো কিসব ঝামেলা হচ্ছিল
স্টার্ট দিতে ওদিকে সুর্য প্রায় ডুবতে বসেছে।এতকিছুর পর যখন পৌঁছালাম
চারদিকের নয়নাভিরাম সবুজের গালিচা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম!সারাদিনের ক্লান্তি
ঘুচে গেলো ওখানে এসে।তারপর বীচের দিকে গেলাম সবাই। ততক্ষণ এ সন্ধ্যা হয়ে
গেছে ফিরতে হবে মনে পড়লো সবার।কিন্তু এবার তো ট্রলার নেই।হাঁটুকাদা পাড়ি
দিতে হবে😥।
অল্প সময়ের মধ্যেই অন্ধকার ঘিরে ধরলো, কাদায় পা ফেলছিলাম আর উঠিয়ে আনার আগ
পর্যন্ত দেবেই যাচ্ছিলো। এতো বেশি পিচ্ছিল আর নরম ব্যালেন্স রাখা কষ্ট
হচ্ছিল আর উঁচুনিচু ছিল বেশ। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগ এড়াতে অবশ্যই
সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসা ভালো ওখান থেকে। কতক্ষণ ওই কাদার সাগরে ছিলাম
জানিনা।ঘন্টাখানেক পর রাস্তায় উঠে এসে স্থানীয় দের সাহায্য নিয়ে হাত পা
কোনরকম ধুয়ে নিলাম। তারপর সিএনজি করে বাজারে ফিরে ১ম দিনের মত ইতি টানলাম।
খৈয়াছড়া
পরদিন সকাল সকাল খেয়েদেয়েই বেরিয়ে পড়লাম। একটা লেগুনা পেয়ে গিয়েছিলাম উনি
ডিরেক্ট খৈয়াছড়ার পয়েন্ট এ পৌঁছে দিয়েছেন জনপ্রতি ৫০ টাকা। ওখানে নেমে বাঁশ
নিলাম প্রত্যেকে এবং একজন গাইড নিয়ে নিলাম। সামনে হেঁটে হোটেলে খাবার
অর্ডার করলাম আর জুতা ব্যাগ রেখে নিলাম। সবাই এ্যাংলেট পড়ে নিলাম,কেউ কেউ
মোজার উপর এংলেট পড়লাম। সেখান থেকে যাত্রা শুরু খৈয়াছড়ার পথে।বেশ খানিকটা
কর্দমাক্ত উঁচুনিচু পথ আর ঝিরিপথ পার হয়ে একটা ছোট ঝর্ণার দেখা পেলাম।গাইড
মামা বললেন এইযে সবে শুরু।কিন্তু তার সৌন্দর্যেই আমাদের উচ্ছ্বাস এর সীমা
নাই। শেষমেশ একরকম মামার তাড়া খেয়ে আবার যাত্রা শুরু করলাম।এবার তুলনামূলক
বেশি উঁচু আর খাড়া হতে লাগলো রাস্তা টা।ওরকম কিছুদূর যাবার পর আরেকটা
ঝর্ণার দেখা পেলাম এবং এবারের টা আরো সুন্দর 😍।ভেতরে
ছলাৎ করে উঠে ওই ঝর্ণার প্রবাহের আওয়াজে।কিছুক্ষণ থেকে আবার পাড়ি জমালাম
পরবর্তী ধাপের লক্ষ্যে এবং এবারের ট্রেকিং সবচেয়ে খাড়াঢালু আর রিস্কি। উঠতে
লাগলাম বাঁশ হাতে নিয়ে সন্তর্পণে পা ফেলে। এ ধাপে আর কোন মেয়ে উঠতে দেখিনি
সব ছেলেরা নেমে যাচ্ছিলো আর আমাদের উঠতে দেখে ব্যঙ্গ করে নানাকিছু বলছিলো।
কানে না নিয়ে উঠতে লাগলাম। এবং অবশেষে সেই অপার্থিব সৌন্দর্য দেখে যেন
সারাগায়ে আনন্দের ঢেউ খেলে গেলো। সেই উপর থেকে ৩ধাপে পানি পড়ছে বিরতিহীন
অপূর্ব ছন্দে।চোখের পিয়াস মনের পিয়াস বুঝি ঘুচালো আজ এই ঝর্ণার বুকে
এসে।উপরে উঠে বেশ কিছুক্ষণ বসে ছিলাম সবাই।মনে হচ্ছিল ওখানেই থেকে যাই
অনন্তকাল। কিন্তু ফিরতে যে হবে,মন কে বুঝিয়ে নিচে নেমে এলাম।কিন্তু ওই খাড়া
পথ বেয়ে নামার কথা মনে হতেই গা হিম হয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত নিরাপদেই নেমে
এসেছিলাম সবাই।আর জীবনের অভিজ্ঞতায় যুক্ত করেছি নতুন এক অধ্যায়।
ফেরার পর সবাই জামাকাপড় বদলে ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম বিসমিল্লাহ হোটেলে।এদের আপ্যায়ন টা আমাদের কাছে অতিথিপরায়ণ লেগেছে।খাবার ভালো ই ছিল বলা যায়।৫০টাকায় ডিম আলুভর্তা ভাত ডাল।
চেঞ্জের সময় অবশ্যই ভালভাবে চেক করবেন জোক ধরলো কিনা আমাদের মধ্যে ৩জনকে জোক ধরেছিল।
ফেরার পর সবাই জামাকাপড় বদলে ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম বিসমিল্লাহ হোটেলে।এদের আপ্যায়ন টা আমাদের কাছে অতিথিপরায়ণ লেগেছে।খাবার ভালো ই ছিল বলা যায়।৫০টাকায় ডিম আলুভর্তা ভাত ডাল।
মহামায়ায়_কায়াকিং
সিএনজি করে মেইন রাস্তায় এলাম তারপর লেগুনায় করে মহামায়ার লিংক রোডে তারপর
আবার সিএনজি করে মহামায়া।১০টাকা জনপ্রতি টিকিট কেটে ঢুকে গেলাম।আমাদের
উদ্দেশ্য ছিল কায়াকিং আপনি চাইলে বোট ভাড়া করেও ঘুরতে পারেন।দুজন করে উঠা
যায় ৪টা নিয়ে উঠে গেলাম।যদিও অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল বোটের জন্য
লম্বা লাইন ছিল।বোটে উঠার পর লেকের স্নিগ্ধ পরিবেশ চারপাশের কলকাকলি ঘেরা
বন আর সবুজাভ পানিতে বৈঠা চালিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সে যে কি রোমাঞ্চকর অনুভূতি
ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।সন্ধ্যে অব্ধি ছিলাম সেখানে। তারপর বের হয়ে
অন্ধকারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে সবাই একসাথে হেঁটে মেইন রাস্তা অব্ধি
আসলাম। সেখান থেকে সেইফলাইন(ছোটবাসগুলার স্থানীয় নাম😂) করে বাজারে আসলাম। ১০:৩০ এ বাস ছিল।ঢাকায় পৌঁছেছিলাম ভোর ৫টায়।
এবার বলি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা।"হোটেল সায়মন" এ উঠেছিলাম। শুক্রবার হওয়ায়
৬০০টাকার রুম ১৫০০ আর ৮০০ টাকার রুম ২০০০ টাকা চার্জ করেছে তার উপর বুকিং এর
সময় হাফ পেমেন্ট করতে হয়েছে আগেই।আর ভেতরের অবস্থা কি আর বলবো রুমে খাট
ছাড়া কিছু নেই,বিছানারচাদর নোংরা।একটা আয়না অব্ধি নেই ওয়াশরুমে কল থেকে
শুরু করে বালতি সাবান কোনকিছুর ঠিক নেই নোংরা সবকিছু। এটুকু ছাড়া পুরো
ট্যুরটা ছিল অসাধারণ।
খরচঃ
(আমরা ৮জন গিয়েছিলাম। ১০জন গেলে প্রতিবার সিএনজি নিতে সুবিধা হয়। সিএনজিতে ৫জন আর কায়াকিং এ ২জন করে যাওয়া যায়।)
(আমরা ৮জন গিয়েছিলাম। ১০জন গেলে প্রতিবার সিএনজি নিতে সুবিধা হয়। সিএনজিতে ৫জন আর কায়াকিং এ ২জন করে যাওয়া যায়।)
* ট্রেনের টিকিট ৩৪৫টাকা(মহানগর এক্সপ্রেস)
* বাসের টিকিট ৪৬০টাকা (শ্যামলী বাস)
* হোটেল ভাড়া ৩২০০টাকা(অনেক তর্কাতর্কির পর)
জনপ্রতি ৪০০ টাকা
* চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ড বাসে করে জনপ্রতি ৩০+২০ টাকা
* চন্দ্রনাথ পার সিএনজি ১০০টাকা, যাওয়াআসা২০০
* বাঁশ ২০টাকা, এসে ফেরত দিলে ১০টাকা ফেরত পাবেন
* ইকোপার্ক ১০০ টাকা প্রতি সিএনজি,টিকিট ২০টাকা,
ভেতরে সিএনজি ৪০০টাকা যাওয়াআসা
* আবার সীতাকুণ্ড বাজার বাসে করে ৫টাকা
* গুলিয়াখালি ১৫০ টাকা সিএনজি প্রতি,
* ট্রলার ৩০টাকা জনপ্রতি
* গুলিয়াখালি থেকে বাজার ১৫০ টাকা প্রতি সিএনজি
* বাজার থেকে খৈয়াছড়া ৫০টাকা জনপ্রতি
* বাঁশ ১০টাকা
* গাইড ৪০০ টাকা( ৩০০টাকায় ঠিক করলেও পরে ৪০০ দিয়েছিলাম,বয়স্ক মামা, খুব ভালো আর হেল্পফুল ছিলেন )
* খৈয়াছড়া থেকে মেইনরোড ১৫০ টাকা পার সিএনজি
* মহামায়া ১০০টাকা পার সিএনজি
* টিকিট ১০টাকা
* কায়াকিং বোট প্রতি ৩০০টাকা, স্টুডেন্ট কার্ড দেখালে ২০০টাকা
* মহামায়া থেকে সীতাকুণ্ড বাজার সেইফলাইন(মিনিবাস)এ জনপ্রতি ৪৫টাকা
* খাবার খরচ আপনার রুচি পছন্দের উপর নির্ভর করে।
সবমিলিয়ে জনপ্রতি ২০০০-২৫০০এর মতো খরচ হতে পারে বলা যায়।
* বাসের টিকিট ৪৬০টাকা (শ্যামলী বাস)
* হোটেল ভাড়া ৩২০০টাকা(অনেক তর্কাতর্কির পর)
জনপ্রতি ৪০০ টাকা
* চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ড বাসে করে জনপ্রতি ৩০+২০ টাকা
* চন্দ্রনাথ পার সিএনজি ১০০টাকা, যাওয়াআসা২০০
* বাঁশ ২০টাকা, এসে ফেরত দিলে ১০টাকা ফেরত পাবেন
* ইকোপার্ক ১০০ টাকা প্রতি সিএনজি,টিকিট ২০টাকা,
ভেতরে সিএনজি ৪০০টাকা যাওয়াআসা
* আবার সীতাকুণ্ড বাজার বাসে করে ৫টাকা
* গুলিয়াখালি ১৫০ টাকা সিএনজি প্রতি,
* ট্রলার ৩০টাকা জনপ্রতি
* গুলিয়াখালি থেকে বাজার ১৫০ টাকা প্রতি সিএনজি
* বাজার থেকে খৈয়াছড়া ৫০টাকা জনপ্রতি
* বাঁশ ১০টাকা
* গাইড ৪০০ টাকা( ৩০০টাকায় ঠিক করলেও পরে ৪০০ দিয়েছিলাম,বয়স্ক মামা, খুব ভালো আর হেল্পফুল ছিলেন )
* খৈয়াছড়া থেকে মেইনরোড ১৫০ টাকা পার সিএনজি
* মহামায়া ১০০টাকা পার সিএনজি
* টিকিট ১০টাকা
* কায়াকিং বোট প্রতি ৩০০টাকা, স্টুডেন্ট কার্ড দেখালে ২০০টাকা
* মহামায়া থেকে সীতাকুণ্ড বাজার সেইফলাইন(মিনিবাস)এ জনপ্রতি ৪৫টাকা
* খাবার খরচ আপনার রুচি পছন্দের উপর নির্ভর করে।
সবমিলিয়ে জনপ্রতি ২০০০-২৫০০এর মতো খরচ হতে পারে বলা যায়।



























