পৃথিবী থেকে জমিদারী বিলুপ্ত হয়ে আমার মত মানুষের বিরাট উপকার হইছে। জমিদারী বিলুপ্ত হইছে কিন্তু জমিদার বাড়ি তো রয়ে গেছে।
জমিদার, পাইক-পেয়াদা মুক্ত পরিবেশে জমিদারবাড়ি ঘুরে বেড়ানোতে একটা আলাদা আনন্দ আছে।
নরসিংদীর ঘোড়াশালে স্বল্প দুরত্বে কয়েকটা জমিদার বাড়ি দেখতে পাওয়া যায়।
পাশে শীতলক্ষ্যা নদী, ঘোড়াশাল রেলস্টেশন ইত্যাদি দেখে চোখ তৃপ্ত করার এক
অপরুপ আয়োজন।
সবচেয়ে বড় সুবিধা সকালে বের হয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় ঢাকা ফিরতে পারবেন।
ভ্রমণ বিস্তারিতঃ
ঢাকা থেকে ঘোড়াশাল বাস অথবা ট্রেন দুইভাবেই যাওয়া যায়। ট্রেনে যাওয়াটা
আমার কাছে ভাল মনে হয়েছে। সকাল ৮ টায় কর্নফুলি ট্রেনে চড়ে বসবেন। ২০ টাকা
ভাড়া নিবে।
সাড়ে নয়টার ভিতর ঘোড়াশাল পৌছে দিবে। সেখানে নাস্তা করে নিতে পারেন অথবা নাস্তা পর্ব ঢাকা থেকেও সেড়ে নিতে পারেন।
সাড়ে নয়টার ভিতর ঘোড়াশাল পৌছে দিবে। সেখানে নাস্তা করে নিতে পারেন অথবা নাস্তা পর্ব ঢাকা থেকেও সেড়ে নিতে পারেন।
রেলস্টেশন থেকে নিচে নেমে অটো বা রিকশায় করে চলে যেতে পারেন মনু মিয়ার বাড়ি।
সাদা রঙ এর বাড়িটি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। বাড়ির দুইপাশে দুটো পুকুর এবং সাথে আছে অসংখ্য গাছপালা। এই বাড়িতে ঢুকতে দারোয়ানের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
সাদা রঙ এর বাড়িটি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। বাড়ির দুইপাশে দুটো পুকুর এবং সাথে আছে অসংখ্য গাছপালা। এই বাড়িতে ঢুকতে দারোয়ানের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
এই বাড়ির পাশেই আরেকটা পুরাতন বাড়ি আছে। সেখানে অনুমতির ঝামেলা নেই। গেট এ হাজির হলেই ঢুকতে দিবে।
এখানে ঘুরাঘুরি শেষ করে চলে যাবেন ডাঙ্গা বাজারে। ডাঙ্গা বাজারে যাওয়ার
রাস্তাটা সত্যি খুবই দারুণ। স্থানীয়ভাবে এই রাস্তার নাম দৃষ্টি নন্দন। হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে নিবেন। দেশি মাছ সহ ভর্তা ভাজি পাবেন। খাবার সুস্বাদু এবং দাম খুবই কম।
খাওয়া শেষে রিকশা অথবা অটো করে চলে যান লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি।
মুল ভবনের পাশে আরেকটা ছোট ভবন আছে। পাশেই আছে পুকুর।
হই হল্লা নাই শুধুই ছিমছাম প্রকৃতি।
মুল ভবনের পাশে আরেকটা ছোট ভবন আছে। পাশেই আছে পুকুর।
হই হল্লা নাই শুধুই ছিমছাম প্রকৃতি।
বাড়ির দোতলায় উঠে জমিদারী ফিল ও নিতে পারবেন।
লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িতে কোন মানুষ থাকে না, পরিত্যক্ত বাড়ি।
লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িতে কোন মানুষ থাকে না, পরিত্যক্ত বাড়ি।
এর পাশেই আছে আরেকটা ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ি। ভৌতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই যাবেন। লোকজন কে বললেই দেখিয়ে দিবে।
এসব দেখতে দেখতেই বেলা পড়ে আসবে। আবার আগের মতই ঘোড়াশাল চলে আসুন। নদীর পাড়ে অথবা রেলস্টেশনে কাটিয়ে দিন বিকেল বেলা। সন্ধ্যা ৬ঃ৪০ এ ফিরতি ট্রেন পাবেন। ৮ঃ৩০ এর মধ্যে ঢাকা ফেরত চলে আসবেন। আর সাথে থাকবে অসাধারণ একটি ভ্রমণের স্মৃতি।























