- প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি
- বিমানের টিকিট
নেপাল যেতে
যেহেতু আগে থেকে ভিসা করা লাগে না বাংলাদেশী পাসপোর্ট অনরাইভাল ভিসা ১৫
দিন থেকে ৯০ দিন প্রথম বারের জন্য ফ্রি তে দিয়ে থাকে।অনরাইভ্যাল ভিসার জন্য
পাসপোর্ট ফটোকপি আর পাসপোর্ট সাইজ ছবি জমা দেয়া লাগে।এছাড়াও সিম নিতে ছবি
লাগে তাই কয়েক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও পাসপোর্ট এর ফটোকপি করে নিয়ে যাবেন।
আমরা রিজেন্ট এয়ারয়োজ এর একটি ফ্লাইটে নেপাল যাই। ইচ্ছে ছিল us
Bangla দিয়ে যাওয়ার কিন্তু আমরা যাওয়ার কিছু দিন আগেই মাএ নেপালে us Bangla
ট্রেজেডি হয়।
আমারদের প্লান ছিল অনেক দিন আগে থেকেই আমি আর আমার
বড়ভাই যাব। তাই ভালো একটা দিন দেখে টিকিট কেটে ফেলি ১৭০০০ হাজার করে আপ
ডাউন। আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৩ টায় রিজেন্ট এয়ার।
আমার ব্যাগ
গুছানোই ছিল তাই ফ্লাইটের দিন সকাল১০:৩০ এ ঘুম থেকে উঠে ১১টায় গাড়ি নিয়ে
রওনা দিলাম এয়ারপোর্ট এর উদ্দেশ্যে ১ টায় গিয়ে পৌছাই এয়ারপোর্টে। তারপর
রিজেন্ট এয়ার কাউন্টার এ গিয়ে বোডিং পাস করিয়ে নিলাম। যদি মেঘের খেলা দেখতে
চান এর অসম্ভব সুন্দর ভিউ পেতে চান তাহলে জানালার সিট গুলি চেয়ে নিতে
পারেন।আমরা এয়ারপোর্টের আনুষ্ঠানিক কাজ শেষ করে বিমানে উঠলাম এবং আমাদের
ফ্লাইট ঠিক সময়েই ছাড়ল ১ঘন্টা ৪৫ মিনিট পর ত্রিভুবন ইন্টারন্যশনাল
এয়ারপোর্টে গিয়ে নামি।একটা ফ্রম পুরন করে অনরাইভাল ভিসার লাইনে দাড়াই
ফর্মটা পুরন করে যত তাড়াতাড়ি লাইনে দাড়ানো যায় তত আগে সব কাজ শেষ করে বের
হওয়া যায়। কিন্তু অনেক তারাতারি করেও দেখি আমি অনেক ইউরোপিয়ান দের পিছনে।
তার পর এক এক করে সব ফর্মালিটি শেষ করে আমরা দুইজন ১ মাসের ভিসা পাই। তবে
এয়ারপোর্ট আমার ভালো লাগে নাই কারন আমার মনে হয়েছে আমাদের থেকে অনেক পিছিয়ে
আছে তারা ডেকোরেশন এর দিক থেকে।
এয়ারপোর্ট থেকে বের হলাম আর সামনে এক অচেনা দেশ। এখন যেতে হবে থামেল।
থামেল হচ্ছে কাঠমুন্ডুর মেইন ট্যুরিস্টদের থাকার যায়গা এখানেই সব দেশের লোক এসে প্রথমে থাকে পরে যে যার ইচ্ছে মত জায়গায় যায়। এয়ারপোর্ট থেকে থামেল যাওয়ার ট্যাক্সি নিমাল ৩০০রুপি করে। বাইরে ছিল অনেক বৃস্টি। থামেল পৌছাতে সময় লাগলো ৪০/৪৫মিনিট আর ড্রাইবার ছিল এক জন মধ্য বয়স্ক লোক তিনি খুব ভালো হিন্দি যানেন তার সাথে কথা বলতে বলতে সময় চলে গেল। আমরা চলে এলাম থামেল।এবার হোটেল খোজার পালা কয়েকটা হোটেল দেখে ১০০০ রুপি ডাবল বেড নন এসি একটা রুম নেই অবশ্য এসির কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয়নি কারন এয়ারপোর্ট নেমেই বুজেছি এটাযে হিমালয়ের দেশ। থামেল ট্যুরিস্ট এরিয়া তাই এখানে হোটেল ভাড়া একটু বেশি। থামেলে খাওয়া খরচ ও বেশি।অই রাতে আমরা থামেল ঘুরে দেখতে পারিনি বৃস্টির জন্য শুধু রাতের খাবার খেয়ে পরদিন সকালের পোখরা যাওয়ার বাসের টিকিট জন প্রতি ১০০০ রুপিতে কেটে রুমে চলে আসি। অবশ্য আমাদের হাতেও অনেক সময় ছিল তাই না ঘুরে রুমে চলে যাই। আপনি ৬০০ থেকে ১৮০০ রুপি পর্যন্ত নানা ধরনের বাসের টিকিট পাবেন।
থামেল হচ্ছে কাঠমুন্ডুর মেইন ট্যুরিস্টদের থাকার যায়গা এখানেই সব দেশের লোক এসে প্রথমে থাকে পরে যে যার ইচ্ছে মত জায়গায় যায়। এয়ারপোর্ট থেকে থামেল যাওয়ার ট্যাক্সি নিমাল ৩০০রুপি করে। বাইরে ছিল অনেক বৃস্টি। থামেল পৌছাতে সময় লাগলো ৪০/৪৫মিনিট আর ড্রাইবার ছিল এক জন মধ্য বয়স্ক লোক তিনি খুব ভালো হিন্দি যানেন তার সাথে কথা বলতে বলতে সময় চলে গেল। আমরা চলে এলাম থামেল।এবার হোটেল খোজার পালা কয়েকটা হোটেল দেখে ১০০০ রুপি ডাবল বেড নন এসি একটা রুম নেই অবশ্য এসির কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয়নি কারন এয়ারপোর্ট নেমেই বুজেছি এটাযে হিমালয়ের দেশ। থামেল ট্যুরিস্ট এরিয়া তাই এখানে হোটেল ভাড়া একটু বেশি। থামেলে খাওয়া খরচ ও বেশি।অই রাতে আমরা থামেল ঘুরে দেখতে পারিনি বৃস্টির জন্য শুধু রাতের খাবার খেয়ে পরদিন সকালের পোখরা যাওয়ার বাসের টিকিট জন প্রতি ১০০০ রুপিতে কেটে রুমে চলে আসি। অবশ্য আমাদের হাতেও অনেক সময় ছিল তাই না ঘুরে রুমে চলে যাই। আপনি ৬০০ থেকে ১৮০০ রুপি পর্যন্ত নানা ধরনের বাসের টিকিট পাবেন।
এবার পোখরা যাএা: পর দিন সকারে ৮
টায় আমাদের বাস ছিল। আমরা যথাসময়ে যথাস্থান থেকে বাসে উঠে পরি। পোখরা যেতে
৭/৮ ঘন্টা লাগে এর মধ্যে ২/৩ টা স্টপেজ দিবে নাস্তা আর দুপুরের খাবারের
জন্য। খাবারের সময় হলেই নিজেকে আমার অসহায় মনে হত কারন আমি নিজে রেস্তোরা
ব্যবসায়ী হয়ে ঐখানে গিয়ে অনেক খাবারের কস্ট করেছি। বাসে ওঠার আগে টিকিটে
বাসের ডান পাশের সিট নেয়ার চেস্টা করবেন তাহলে আপনি পুর রাস্তা পাহাড়ী নদী
আর অপরূপ দৃশ্য দেখেই কাটিয়ে দিতে পারবেন। আর যদি আপনার রাফটিং করার ইচ্ছে
থাকে তাহলে আপনি থামেলে রাফটিং বুকিং করলেই ওরা আপনাকে রাফটিং করিয়ে পোখরা
পৌছে দেয়ার ব্যবস্তা করবে। কারন আপনি বাসে বসে সারা রাস্তা যে নদী দেখবেন
ঐটাতেই ওরা আপনাকে রাফটিং করাবে। পাহাড় আর নদী দেখতে দেখতে আপনি চলে আসবেন
এক সময় পোখরা।
অহ এর মধ্যে বাসে আমাদের এক বাংলাদেশী পরিবারের সাথে পরিচয় হয়।
অহ এর মধ্যে বাসে আমাদের এক বাংলাদেশী পরিবারের সাথে পরিচয় হয়।
পোখরা ঘুরাঘুরি : বাস থেকে নেমে ২০০ রুপীতে texi করে আমরা চলে যাই লেকসাইড
ঐখানেই সব ট্যুরিস্ট থাকে। এখানে সকল ধরনের অসংখ্য হোটেল আছে। আমরা ১০০০
রুপিতে একটা রুম নেই ডাবল বেড এর। আমরা পোখরা ৩ দিন থাকি। পোখরাতে আপনি
কিছু অসাধারণ সাইড সিন দেখতে পারবেন আর প্যারাগ্লাইডিং, আল্ট্রা লাইট
ফ্লাইট, হেলিকপ্টার দিয়ে অন্যপন্না বেস কেম্প যাওয়া এবং ছোট বড় ট্রাকিং এ
বের হতে পাবেন। আমরা রুমে উঠে ফ্রেস হয়েই বের হয়ে যাই জায়গাটা দেখতে তখন
বিকেল প্রায় শেষের দিকে আর প্রথমেই আমরা যাই ফেউয়া লেকের পাড়ে বিশ্বাস
করবেন কিনা জানি না লেকের পাশে গিয়ে দাড়াঁতেই একটা শীতল হাওয়া আপনাকে
ঠান্ডা করে দিবে এবং আপনার সব ক্লান্তি কেরে নিবে। আপনি সব ভুলে দুচোখে
শুধু আল্লাহর অপরূপ সৃস্টি দেখবেন।
এতে অবশ্য আমাদের
ভালো ও হয়েছে খরচ ও কমেছে।পরদিন ভোর ৪ টায় ফোন দিল গাড়ি গেটে বের হতে হবে
দ্রুত রেডি হয়ে গাড়িতে গেলাম গাড়ি আমাদের নিয়ে চলল সারানকোঠ হিমালয়ে সূর্য
উদয় দেখাবে বলে। সারানকোঠ গিয়ে দেখি আমাদের আগেই ঐখানে কয়েক হাজার লোক
অপেক্ষা করছে ক্যামেরা হাতে হিমালয়ের মাথায় সূর্যের একটা অসাধারন ছবি নিতে।
তারপর আমার হোটেল গিয়ে নাস্তা করে ফেউয়া লেকে বোটিং করি এরপরই আমি আমার
জীবনে অন্যতম সেরা মুহূর্ত উপভোগ করতে যাই মানে প্যারাগ্লাইডিং করি। অহ
গতরাতেই আমরা ৪ জন জনপ্রতি ৫০০০ রুপিতে প্যারাগ্লাইডিং এর ব্যবস্তা করে
রাখি আমি,আল-আমিন ভাই, আকিব আর লিটা আপু। তারপর আর একটা গাড়ি আমাদের আবার
সারানকোঠ প্যারাগ্লাইডিং পয়েন্ট এ নিয়ে যায়। প্যারাগ্লাইডিং করে দুপুরে
খেয়ে আমাদের পূর্বের গাড়ি নিয়ে আমরা বের হয়ে যাই বাকি সাইড সিন গুলো দেখতে
যেমন: ওয়ার্ল্ড পিছ পেগুডা, গুপ্তেস্বর কেব, দেবিস ফল ইত্যাদি। এভাবেই
আমাদের সারা দিন কাটে। পরদিন আমরা ২৫০০ রুপিতে একটা বাইক ভাড়া করে সারা দিন
পোখরা শহর দেখি তবে বাইকটা ছিল আমার স্বপ্নের বাইক Royal Enfield. বাইক
ভাড়া করতে অবশ্য আপনার পাসপোট আর ড্রাইবিং লাইসেন্স জমা দিতে হবে। এর পরদিন
আমরা চলে আসি কাঠমন্ডুতে। কাঠমুন্ডুতে আমরা আরো ২দিন থাকি। কাঠমুন্ডুতে
আসার পর দেখা হয় আমাদের এলাকার আরো একজনের সাথে তারপর সবাই মিলে আমরা এক
সাথে গ্রুপিং করে ঘুরাঘাড়ি করি। একদিন আমরা সবাই শপিং করে কাটাই আর এক দিন
আমি আর আলামিন ভাই আবার বাইক নিয়ে পুরু কাঠমুন্ডু শহর ঘুরে দেখি।
আর হে যারা কাঠমুন্ডু গিয়ে থামেলে থাকেন তারা একটি বিকেল অবশ্যই Tha Garden of Dream পার্কে কাটাবেন।
তারপর অনিচ্চাকৃত শর্তেও ফ্লাটেই অগ্রিম টিকেট কাটা ছিলো বলে হিমালয়ের শহরের মায়া ত্যাগ করে জন্মভূমির টানে বাড়ি ফেরা।
আর হে যারা কাঠমুন্ডু গিয়ে থামেলে থাকেন তারা একটি বিকেল অবশ্যই Tha Garden of Dream পার্কে কাটাবেন।
তারপর অনিচ্চাকৃত শর্তেও ফ্লাটেই অগ্রিম টিকেট কাটা ছিলো বলে হিমালয়ের শহরের মায়া ত্যাগ করে জন্মভূমির টানে বাড়ি ফেরা।
















































